অষ্টগ্রামে ব্যবসায়ীর দোকান দখল চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত সেক্রেটারির বিরুদ্ধে

মোঃ নাদিরুজ্জামান

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীর দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আদমপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে।

প্রায় আট মাস ধরে দোকানটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দোকানের মালিক মোঃ শহিদ মিয়া।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকার বাসিন্দা মৃত মন্নর আলীর ছেলে মোঃ শহিদ মিয়ার একটি দোকানঘর আদমপুর বাজারে রয়েছে। ওই দোকানটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শহিদ মিয়া ও মোঃ সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

গত ৭ আগস্ট ২০২৬ (শুক্রবার) দোকানের বর্তমান ভাড়াটিয়া মোঃ সালাম মিয়াকে দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য মোঃ সাদ্দাম হোসেন হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন শহিদ মিয়া।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদমপুর বাজারে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।খবর পেয়ে অষ্টগ্রাম থানাধীন আব্দুল্লাহপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পরে বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দীন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সালাহ উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

এ বিষয়ে আব্দুল্লাহপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দোকানঘরটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা তা হতে দিইনি। সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে যার যার অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে দোকান দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আদমপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, আমি দোকান দখল করিনি। জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে দোকানটি ইজারা নিয়েছি। তাই ইজারা নেওয়া দোকানটি আমার দখলে নেওয়ার জন্য সেখানে থাকা বর্তমান ভাড়াটিয়া মোঃ সালাম মিয়াকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।

এদিকে দোকানটির মালিকানা ও ইজারা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বিষয়টি নজরদারিতে রেখেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *