ভৈরবে ওয়ারিশসূত্রে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে অসহায় পরিবারের সাংবাদ সম্মেলন

নিজেস্ব প্রতিবেদক:-

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ওয়ারিশসূত্রে পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার ও সম্পত্তির দখল ফিরে পেতে অসহায় পরিবারের সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন।

আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১ ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী মোঃ আলী মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রায় চার দশক আগে তার দাদা মৃত আছালত ভুইয়ার জীবদ্দশায় ভৈরব পৌর শহরের কালিপুর মৌজাস্থ বিভিন্ন খতিয়ানে ৪০ শতাংশ নামা/বাড়ি /কান্দা সর্বমোট ২ একর ৬০.০০ শতাংশ ভূমি। তার পিতা জয়নাল আবেদীন সহ আর চারপুত্র ওয়ারিশান রেখে ইন্তেকাল করেন।

পৈত্রিক ওয়ারিশান সূত্রে তার পিতা ওয়ারিশগণ ৫ ভাগের এক অংশ ভূমির বৈধ মালিক। কিন্তুু অভিযুক্ত কালীপুর উত্তর পাড়া এলাকার দ্বীন ইসলাম, আতর মিয়া গংরা দীর্ঘ ৫৪ বছর জোর পূর্বক তাদের উক্ত সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। ভূমিদস্যুদের কারণে তিনি তার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি ফিরে পাচ্ছেন না। তাদের কে সম্পত্তির ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত করে আসছেন।

ভুক্তভোগী আরেক সহোদর উসমান মিয়া বলেন , “আমার বাবার মৃত্যুর পর থেকেই আমি সহ আমার ভাইয়েরা দাদার ওয়ারিশিয়ান সূত্রে প্রাপ্য সম্পত্তির অংশ চাইতে গেলে আমার চার চাচার অংশীদারগণ আমি সহ আমার ভাইদের কে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তারা আমাকে অপমান করে এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করে।

”সংবাদ সম্মেলনে হায়দার মিয়া অভিযোগ করে বলেন, শুধু তাকে নয়, তার ভাইদের কেও বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন নিজেদের বাড়িতেও নিরাপদ নই। সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

এবং ”প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি আমার বাবার সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চাই। পাশাপাশি আমার ও আমার পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।” সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *