এ কে এম মোহাম্মদ আলী, হোসেনপুর থেকে :

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ও আব্দুল কদ্দুস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন ৷
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জীনারি ইউনিয়নের হাজিপুর বাজারে রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস(৫৫) রয়েছেন। এছাড়াও প্রতিপক্ষ আজহারের ছোটভাই মিন্টু মিয়া(৪৫) রয়েছেন।
অন্যদিকে কদ্দুস গ্রুপের তাঁর ছোট ভাই আসাদ মিয়া (৪৫), দুলাল মিয়া (২৫), তরিকুল ইসলাম(২৪), সৌরভ (২০) সহ আনুমানিক ১৫ জন আহত হয়েছেন ।
তাদেরকে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আহত অন্যদের নাম পাওয়া যায়নি ৷
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশি হয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, আজহারুল ইসলাম ও আব্দুল কদ্দুস।
এর জেরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আজহার গ্রুপ ও কুদ্দুস গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় উভয় পক্ষের মধ্য হাজিপুর বাজার এলাকায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় । এ সময় হাজিপুর বাজারের ব্যাবসায়ীরা আতংকে দোকান বন্ধ করে রাখেন ৷
দু- পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও ইট- পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া চলে ঘন্টাব্যাপী ৷ এতে ব্যাবসায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে ৷ পড়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ৷ তবে আগামীতে আরও বড় ধরণের সংঘর্ষের সম্ভবনা রয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন আশংকা করছেন ।
সংঘর্ষের বিষয়ে আজরুল ইসলাম মুঠোফোন এ প্রতিবেদককে জানান, তাঁর ছোট ভাই মিন্টুর সাথে কদ্দুসের হাতাহাতি হলে এর জেরে মারামারির ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে ।
এ বিষয়ে আব্দুল কদ্দুসের মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এতে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, তিনি খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন । বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে ৷ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে ৷ হাজিপুর বাজার এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ৷
