এম এ কাদের, বিশেষ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া থেকে নিখোঁজ হওয়া স্কুলছাত্র সৈয়দ সাদাফকে সিলেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সিলেটের জাফলং সড়কের শাহপরান এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া সৈয়দ সাদাফ নোয়াপাড়া এলাকার সৈয়দ সঈদ উদ্দিন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা সায়হাম স্পিনিং মিলের স্টোর অফিসার সৈয়দ শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নোয়াপাড়া বাজার থেকে বেকারির বিস্কুট কিনতে সাদাফকে পাঠানো হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়।সাদাফ নিখোঁজের ঘটনায় তার বাবা সৈয়দ শাহীন ও মা সৈয়দা শারমিন সুলতানা চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে সিলেটের শাহপরান এলাকার এক হোটেল মালিক সৈয়দ শাহীনের মোবাইল ফোনে কল করে জানান, সাদাফ তার কাছে রয়েছে। খবর পেয়ে মেজরটিলা এলাকায় অবস্থানরত সাদাফের চাচা ব্যবসায়ী সৈয়দ সুলতান দ্রুত ওই হোটেলে গিয়ে তাকে নিয়ে আসেন। পরে চিকিৎসার জন্য সাদাফকে সিলেটের আল হারামাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সাদাফের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তার বাবা সৈয়দ শাহীন জানান, নোয়াপাড়া থেকে কে বা কারা একটি মাইক্রোবাসে করে সাদাফকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ভোররাতে তাকে সিলেটের জাফলং সড়কে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহপরান এলাকায় পৌঁছে একটি হোটেলে যায় সাদাফ। সেখানে হোটেল মালিকের কাছে সে পুরো ঘটনা জানায়।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে স্কুলছাত্র সাদাফকে নোয়াপাড়া থেকে সিলেটে নিয়ে যায়, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
