নিজস্ব প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-৪ (অষ্টগ্রাম–ইটনা–মিঠামইন) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় গতি আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
এই আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে আসনভিত্তিক একজন প্রধান সমন্বয়ক ও একজন সমন্বয়ককে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৪ (অষ্টগ্রাম–ইটনা–মিঠামইন) আসনে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজপথ থেকে উঠে আসা একাধিক মামলার আসামি ও কারানির্যাতিত ছাত্রনেতা, কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাগ গ্রামের কৃতিসন্তান, সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হাফিজুল্লাহ হিরা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অষ্টগ্রাম উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের কবিরখান্দান গ্রামের কৃতিসন্তান, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহা. আবুল বাশার বাবু।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করা এবং তরুণ ভোটারদের ধানের শীষের পক্ষে আকৃষ্ট করতেই হাফিজুল্লাহ হিরাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে তৃণমূল পর্যায়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেবেন এবং বিজয়ের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন।
প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় হাফিজুল্লাহ হিরা বলেন,
“দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আস্থায় আমাদের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অষ্টগ্রাম–ইটনা–মিঠামইনের মাটি ও মানুষের সমর্থন নিয়ে সর্বোচ্চ প্রচারণার মাধ্যমে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই আসনটি আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানকে উপহার দেব।”
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে তরুণ প্রজন্মের ভোটের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে ছাত্রদলের মতো একটি লড়াকু সংগঠনের নেতৃত্বে হাফিজুল্লাহ হিরা ও মুহা. আবুল বাশার বাবুর মতো সংগঠকদের সক্রিয় উপস্থিতি মাঠের রাজনীতিতে ধানের শীষের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়
