নিজস্ব প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।
অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসের নায়েব ও সার্ভেয়ারের যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে জমি জবরদখল ও আইনি হয়রানির বিচার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মো. জসিম মিয়া লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উপজেলার ভূমি অফিসের নায়েব, সার্ভেয়ার এবং আবেদনকারী মো. জাবেদসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মচারীর অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তিনি নিঃস্ব হওয়ার পথে।
সংবাদ সম্মেলনের তথ্যানুযায়ী ঘটনার বিবরণভুক্তভোগী মো. জসিম মিয়া জানান, প্রায় দুই বছর আগে তিনি তার চাচা মৃত ঝারু মিয়ার ওয়ারিশদের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যে এক একর জমি ক্রয় করেন। বায়না বাবদ ৭ লক্ষ টাকা নগদ পরিশোধ করা হলেও বাকি ৮ লক্ষ টাকা দলিল সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বিক্রেতারা দলিল দিতে টালবাহানা করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জমি বিক্রির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও বিক্রেতা পক্ষ দলিল না দিয়ে উল্টো গত বছরের ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তিনিসহ তার পরিবারের তিনজনের নামে আরও একটি ধর্ষণ মামলা দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও হয়রানিমূলক।ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে গুরুতর জালিয়াতিরসবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হিসেবে জসিম মিয়া জানান, তার ক্রয় করা ওই জমি নিয়ে অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী মো. জাবেদ মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও নায়েবের সহায়তায় ওই জমির ভুয়া খারিজ সম্পন্ন করেছেন। জসিম মিয়ার অভিযোগ, ওই খারিজের আবেদনের সাথে দাখিল করা খাজনার রশিদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম নিবন্ধন এবং মূল দলিল সবই জাল। অথচ ভূমি অফিস রহস্যজনক কারণে এসব জাল কাগজপত্র গ্রহণ করে খারিজ অনুমোদন দিয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি, অথচ আজ আমি সরকারি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ও প্রভাবশালী চক্রের মিথ্যে মামলার জালে আটকা পড়েছি। জাল কাগজপত্র তৈরি করে আমার জমি বেদখল করার পাঁয়তারা চলছে”।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই ভূমি জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, হাওর অঞ্চল অষ্টগ্রামে জমি সংক্রান্ত এমন জালিয়াতি ও হয়রানির ঘটনায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তথ্যানুযায়ী ঘটনার বিবরণভুক্তভোগী মো. জসিম মিয়া জানান, প্রায় দুই বছর আগে তিনি তার চাচা মৃত ঝারু মিয়ার ওয়ারিশদের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যে এক একর জমি ক্রয় করেন। বায়না বাবদ ৭ লক্ষ টাকা নগদ পরিশোধ করা হলেও বাকি ৮ লক্ষ টাকা দলিল সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বিক্রেতারা দলিল দিতে টালবাহানা করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জমি বিক্রির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও বিক্রেতা পক্ষ দলিল না দিয়ে উল্টো গত বছরের ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তিনিসহ তার পরিবারের তিনজনের নামে আরও একটি ধর্ষণ মামলা দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও হয়রানিমূলক।
ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে গুরুতর জালিয়াতিরসবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হিসেবে জসিম মিয়া জানান, তার ক্রয় করা ওই জমি নিয়ে অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারী মো. জাবেদ মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও নায়েবের সহায়তায় ওই জমির ভুয়া খারিজ সম্পন্ন করেছেন। জসিম মিয়ার অভিযোগ, ওই খারিজের আবেদনের সাথে দাখিল করা খাজনার রশিদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম নিবন্ধন এবং মূল দলিল সবই জাল। অথচ ভূমি অফিস রহস্যজনক কারণে এসব জাল কাগজপত্র গ্রহণ করে খারিজ অনুমোদন দিয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জসিম মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি, অথচ আজ আমি সরকারি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ও প্রভাবশালী চক্রের মিথ্যে মামলার জালে আটকা পড়েছি। জাল কাগজপত্র তৈরি করে আমার জমি বেদখল করার পাঁয়তারা চলছে”।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই ভূমি জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
উল্লেখ্য, হাওর অঞ্চল অষ্টগ্রামে জমি সংক্রান্ত এমন জালিয়াতি ও হয়রানির ঘটনায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
