জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে এক যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনাও সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন স্থানীয় নেতারা। অভিযুক্ত যুবদলের ওই নেতার নাম মো. রায়হান গন্ধী আলী। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় ৩৭ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, যুবদল নেতা মো. রায়হান গন্ধী বাফুফে জার্সি পরিহিত একটি ঘরের বসে আছেন। তার বাম হাতে একটি ফয়েল পেপার এবং ডান হাতে একটি গ্যাসলাইট। মুখে চিকন পাইপের মতো কিছু একটি বস্তু দুই ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরে ধোঁয়া টানতে দেখা যায় তাকে। ফয়েল পেপারের নিচে গ্যাসলাইটের আগুন দিয়ে উপরে রাখা বস্তুটি হিট করে ধোঁয়া গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়াটি ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ইয়াবাসেবী ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ একজন ভিডিও ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। যুবদল নেতার ভিডিও ফেসবুকে দেখে অনেকেই মন্তব্যের ঘরে লেখেন, অবিলম্বে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হোক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা যুবদল এক নেতা বলেন, উপজেলা পর্যায়ের এক নেতার মাদক সেবনের এ ধরনের ভিডিও প্রকাশ্যে এলে দলের সম্মান কোথায় যায়? এ ধরনের নেতাকে দিয়ে দলের কী উপকার হতে পারে? এসব মাদকসেবীদের অবিলম্বে যুবদল থেকে বহিষ্কার ও বিতাড়িত করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. রায়হান গন্ধী আলীর ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক খাইরুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, রায়হান গন্ধী খুব ভালো ছেলে।রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কেউ এই ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জমান শরীফের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি শুনছি, তবে তথ্য প্রমাণ পায়নি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
