ভাঙ্গা ব্রীজে কাঠের পাটাতনই ভরসা

মাঠি মামুন রংপুর থেকে:

রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের শেখপাড়া ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ায় কাঠের তৈরি পাটাতনে ঝুকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে হাজারো মানুষ।বাজেট বৈষম্যের স্বীকার ও স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্রীজ ভেঙ্গে যাওয়ার ১ বছর পেরিয়ে গেলেও হয়নি নতুন ব্রীজ।ক্ষোভ আর আক্ষেপ নিয়ে স্থানীয়রা মিলিত হয়ে কাঠ দিয়ে মেরামত করেন ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজটি।যেকোনো সময় ভেঙ্গে যেতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রংপুর গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড শেখপাড়া ব্রীজ টি গত বছর৷ বন্যায় তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ার খরস্রোতে ঝুকিপূর্ণ ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ে।এমতাবস্থায় স্থানীয় প্রভাবশালী মানুষের সহযোগিতায় স্বল্প কিছু অর্থদানে বাশ,কাঠ দিয়ে তৈরি পাটাতন ব্রীজই হয় প্রায় ১০ হাজার লোকের বসবাসরত একমাত্র চলাচলের ভরসা। বন্যা পেরিয়ে এক বছরেও হয়নি এই ভাঙ্গা ব্রীজটির কোন উন্নয়ন। আজ অত্র স্থানে গিয়েও দেখা যায়,ব্রীজটির দক্ষিণ পার্শ্বে পুরো কোণ ভেঙ্গে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। আজ আবারও স্থানীয় দিনমজুরা চাঁদা সংগ্রহ করে ব্রীজের কোণ-টি বাঁশ,কাঠ দিয়ে আপাতত চলাচলের জন্য ব্রীজ টি মেরামত করেন।
‎স্থানীয়দের দাবি,গঙ্গাচড়ার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮০ ভাগ মানুষ-ই হতদরিদ্র। এলাকায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ওয়ার্ড প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও ব্রীজটি নির্মাণের বরাদ্দ মেলেনি উন্নয়ন প্রকল্পে।এলাকাবাসীর জোরালো আবেদন অতি-সত্বর জরাজীর্ণ ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন ব্রীজ তৈরি করা হয়।ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মীর কাশেম মিঠু বলেন,আমাদের শেখপাড়া হতদরিদ্র ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা।প্রায়ই ১০ হাজার লোক ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে।দীর্ঘদিন ধরে পাটাতনের উপর নির্ভর করে চলছে যাতায়াত ব্যবস্থা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন,দ্রুত বাজেট প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়।
‎এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মৃধা বলেন,বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হলাম, দ্রুত ব্রীজ নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *