ইতিহাসের হিরো তাহসিফের লাশ নদী থেকে উদ্ধার

এটিভি অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের মানুষের চোখ্যে সত্যিকারের হিরো বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে সারাবিশ্বে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। একজন দেশপ্রেমিক জোয়ান হিসেবে সবার চোখে মহানায়ক হয়ে উঠেন তাহসিফ। কিন্তু দেশপ্রেমি তাহসিফকে প্রাণ দিতে হলো। এমনি ভাবে ৭ বছর আগে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে প্রাণ দিতে হয়েছিল ছাত্রলীগের পৈচাসিক নির্যাতনে। বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ও দেশপ্রেমি আবরার ফাহাদ ‘ভারতের কাছ থেকে পানি ন্যয্য হিস্যা আদায়ের দাবি’তে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট দিয়েছিলেন। এতেই বিক্ষুব্ধ হয়ে ভারতের তাবেদার ছাত্রলীগের একঝাক সন্ত্রাসী সারারাত পৈচাসিক কায়দায় পিটিয়ে আবরারকে হত্যা করে। দেশপ্রেমি আবরারের হত্যাকারীরা চিহ্নিত হয়েছে এবং ফাঁসির দ- মাথায় নিয়ে কারাগারে রয়েছে। কিন্তু দেশপ্রেমি জোয়ান কে এম তাহসিফ সৌরিকে রাতের আঁধারে হত্যা করা হয়েছে। তার হত্যাকারী কারা? এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের হত্যা নাকি ট্র্যাজেডি? সাহসিফ হত্যার নেপথ্যে কি ভারতের হাত রয়েছে? তাহসিফ হত্যা নিয়ে আগাম মন্তব্য করতে চাননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর বাবা এনায়েতুল করিম বলেছেন, আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। ঘটনার দিনও তাহসিফ মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা করেছে।বন্ধুর দ্বীপের ডাকে মঙ্গলবার রাতে বাসা থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি আলোচিত বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরি। বুধবার বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাহসিফ। পরিবারের অভিযোগ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে তাহসিফ সৌরিকে। পুলিশের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া ও পেট ফোলা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্রুত হত্যার রহস্য উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাই প্রমানিত হবে। যেমনটা হয়েছে সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনী হত্যাকান্ডের বেলায়। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন তাহসিফ সৌরি। আলোচনা আছে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উড়োজাহাজে করে ভারতে পালানোর ভিডিও প্রচার করেছিলেন। অনেক কিছুই আজও অজানাই থেকে গেছে। যা রীতিমতো রহস্য তৈরি করেছে। মৃত্যুর সঙ্গে ওই ভিডিও ধারণের কোনো যোগসূত্র আছে কি না যদিও এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে গোয়েন্দাদের ধারনা হত্যা করে নদীতে ফেলা হয়েছে তাহসিফকে।রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘করবী’ ভবনে থাকতেন তাহসিফ। তার বাবা এনায়েতুল করিম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় দ্বীপ নামের এক ছোট ভাই বাসার নিচে এসে তাকে ডাকেন। দ্বীপের সঙ্গে কথা বলে ফিরবেন জানিয়ে নিচে নামেন তাহসিফ। এরপর আর বাসায় ফেরেননি। তাহসিফ বাসায় না ফেরায় তার মা একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মুঠোফোনে একটি বার্তা পাঠান তাহসিফ। তাতে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন। তবে বার্তাটি পড়ে ছেলেকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল বলে জানান এনায়েতুল করিম।ছেলে তাহসিফয়ের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মনে করছেন না বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। তার সন্দেহ, তাহসিফকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা, কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি। বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের সামনে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কে এম এনায়েতুল করিম এ অভিযোগ করেন। এনায়েতুল করিম বলেন, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যার পর এক বন্ধু বাসায় এসে তাহসিফকে ডাকেন। তখন তাহসিফ তার মাকে বলেন, নিচে গিয়ে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে আসবেন। এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।ছেলের সঙ্গে কারও বিরোধ বা ঝামেলা ছিল কি না, জানতে চাইলে এনায়েতুল করিম বলেন, তাহসিফ অত্যন্ত ভদ্র ও সামাজিক ছিলেন। কারও সঙ্গে তার ঝগড়া-বিবাদ বা কোনো ধরনের বিরোধ ছিল বলে আমার জানা নেই। এ কারণে কী ঘটেছে, তা আমরা বুঝতে পারছি না। তাহসিফের বাবা জানান, তিনি ছেলের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশতেন। ছেলে তার সঙ্গে অনেক কিছু শেয়ার করতেন। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও কথা বলতেন। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার কারণে কিছুটা খারাপ লাগা স্বাভাবিক হলেও এ নিয়ে তার বড় কোনো সমস্যা ছিল বলে মনে করেন না তিনি।ছেলের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মনে করেন কি না, জানতে চাইলে কে এম এনায়েতুল করিম বলেন, আত্মহত্যার প্রশ্নই আসে না। তাহসিফ অত্যন্ত প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। বিমানবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হতে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। বিভিন্ন কোর্স সম্পন্ন করার পাশাপাশি উড্ডয়নেও তিনি ভালো ছিলেন। তিনি বলেন, তাহসিফের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ।তাহসিফের কর্মজীবন সম্পর্কে তার বাবা জানান, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও নেত্র নিউজের সঙ্গে কাজ করেছেন। সবশেষ ভার্গ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশাসন ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কয়েক দিন আগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় বিশ্রামে ছিলেন বলেও জানান তিনি।ছেলের মৃত্যুর পেছনে কী কারন থাকতে পারে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই জানিয়ে এনায়েতুল করিম বলেন, ঘটনার দিনও তাহসিফ মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা করেছেন এবং বাবার জন্যও কেনাকাটা করেছিলেন। এরপর দ্বীপ নামে এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে নিচে যাওয়ার কথা বলে বের হন। তার ধারণা, স্বাভাবিকভাবে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটবে, তা পরিবারের কেউ ভাবতে পারেননি। ছেলের মা একাধিকবার তার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করলেও যোগাযোগ করতে পারেননি। পরে রাত ১টার পর তাহসিফ তার মাকে মেসেজ দিয়ে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন।তাহসিফের বাবা জানান, বুধবার দুপুরের দিকে তিনি থানায় গিয়ে ছেলের খোঁজ করেন। তখন পুলিশ তাকে জানায়, ছেলের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে পুলিশের পক্ষ থেকে ফোন করা হয়। তার ও ছেলের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর জানানো হয়, তুরাগ নদে একটি লাশ পাওয়া গেছে।রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন এলাকায় ছেলের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ওই এলাকায় তার ছেলে কখনো যেতেন না। তারপরও সেখানে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। কে বা কারা তার ছেলেকে হত্যা করেছে, সে বিষয়েও তারা কিছু জানেন না বলে জানান তিনি।এদিকে ঢাকা জেলা নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বৃহস্পতিবার জানান, তাহসিফের লাশের বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।ঢাকার বাইরে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ময়নাতদন্ত ও প্রাথমিক তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করতে চান না। একটা প্রাথমিক তদন্ত হবে। তারপরে কথা বলা যাবে। এই মুহূর্তে কথা বলতে চাই না।সুরতহাল প্রতিবেদন যা আছে: বৃহস্পতিবার টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মুস্তাফিজুর রহমান তাহসিফের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাশটি শনাক্ত করেন তাহসিফের খালাতো ভাই জহির হাসান। লাশের মাথার চুল কালো, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং মুখম-ল গোলাকার ছিল। তার মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল। মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো অবস্থায় ছিল এবং হাতের মুঠো খোলা পাওয়া যায়। সুরতহাল প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তাহসিফের বুক, পেট, পিঠ ও দুই পা স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। তবে তার পেট ফোলা দেখা যায় ও নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া অবস্থায় ছিল। শরীরের কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁস: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাহসিফ। তবে মৃত্যুর প্রায় সোয়া তিন মাস আগে একটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রমাণ চান তিনি। ইউটিউব চ্যানেল ‘স্পিক উইথ রশীদ’-এ গত ২১ জুলাই প্রকাশিত এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে চাকরিচ্যুতি, বিমানবাহিনীতে নিজের অভিজ্ঞতা এবং একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে কথা বলেন তাহসিফ। ওই প্রতিবেদনকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তাহসিফকে নিয়ে যা বলেন বন্ধু দ্বীপ: তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দ্বীপের নাম সামনে আসার পর তার ফেসবুক আইডির সূত্র ধরে যোগাযোগ করা হয় দ্বীপের সাথে। তিনি জানান, তার ও তাহসিফের মোটরসাইকেলের মডেল একই। তাহসিফের মোটরসাইকেলটি অকেজো হয়ে পড়ায় সেটি চালু করতে সাহায্য করেন তিনি। এরপর দুজন মিলে উত্তরার একটি ওয়ার্কশপে যান। সেখানে তাহসিফের মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনসহ আরও কিছু কাজ করানো হয়। দ্বীপের ভাষ্য, কাজ শেষে তারা আবার অ্যাপার্টমেন্টে ফেরেন। পরে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে একসঙ্গে রাতের খাবার খান। এরপর তিনি নিজের বাসার দিকে চলে যান, আর তাহসিফ অন্যদিকে চলে যান। তবে তাহসিফ কোথায় বা কী কাজে গিয়েছিলেন, তা তিনি জানেন না বলে জানান। তাহসিফের সঙ্গে কতক্ষণ ছিলেন, জানতে চাইলে দ্বীপ বলেন, মোটরসাইকেলের কাজ করতে প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছিল। তবে সব মিলিয়ে তারা প্রায় তিন ঘণ্টা একসঙ্গে ছিলেন বলে জানান তিনি।দ্বীপ বলেন, তাহসিফের সঙ্গে তার দেখা হওয়ার সঠিক সময় মনে নেই। তবে তার ধারণা, রাত ৯টার দিকে তাদের দেখা হয়েছিল। আর তিনি বাসার উদ্দেশে রওনা হন রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে। তাহসিফের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে দ্বীপ বলেন, বয়সে বড় হওয়ায় তাকে বড় ভাইয়ের মতো সম্মান করতেন তিনি। তাদের পারিবারিক সম্পর্কও ছিল ঘনিষ্ঠ। এমনকি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাহসিফের বাসায় দাওয়াত খেতে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে পালিয়ে যান, এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, এটা নাকি উনি করেছিলেন? এ বিষয়ে কি আপনার সাথে কোনো আলোচনা হতো? এ প্রসঙ্গে দ্বীপ: বলেন, আমরা তো নিউজের মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি। আসলে ভেরিফিকেশনটা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমার সাথে এ বিষয়ে আসলে উনি কোনো আলোচনাই করেননি।উত্তরায় ১২ নম্বর সেক্টরে দাফন: সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লাশ দাফন করা হয় উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *