সোহানুর রহমান সোহান ভৈরব( কিশোরগঞ্জ)

রোববার দিবাগত মধ্যে রাত ১২ টার দিকে ভৈরব পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রস্থ টিনপট্টি এলাকার রমজান আলী মিয়ার, হাউলী রোডে বর্বরোচিত নৃশংস হামলায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের ( নিষিদ্ধ ঘোষিত) এর সাধারণ সম্পাদক মো.আল-আমিন সৈকত(৪০) নিহত হয়েছে।

নিহত আল-আমিন সৈকত পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়া ৮ নং ওর্য়াডের আড়াই ব্যাপারী বাড়ির ব্যবসায়ী মৃত হাজী জসিম উদ্দিন মিয়ার বড় ছেলে। তিনি ভৈরব পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালকসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক ক্রীড়া অঙ্গণে বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন।
৪ সন্তানের জনক নিহত সৈকত এর স্ত্রী তানিয়া খানম এটিভি অনলাইন– কে জানান- ঘটনার কিছুক্ষণ আগে আনুমানিক রাত সাড়ে ১১ টায় আমার মোবাইলে ফোন করলে সে বলে (আমার স্বামী) বলে ভাত রেডি কর! আমি আসছি। রাত ১২ টার দিকে আল-আমিন সৈকত মটর সাইকেল যোগে ভাড়া বাসায় যাওয়ার পথে তার পথ গতিরোধ করে দুর্বৃত্ত ৪/৫ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপুযূপরী কোপাতে থাকে। ঘটনাটি ঘটে তার বাসা থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে।
ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সৈকত-কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ময়নাতদন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক) হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।
নিহতের মা এবং স্ত্রী জানান – বাজারের মার্কেটের বিল্ডিং নিয়ে শত্রুতার জেরে তাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন-দুর্বৃত্তদের আর্তকিত হামলায় আল-আমিন সৈকত নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের সাড়াঁশি অভিযান চলছে।
এ ঘটনার পর থেকে আইনপ্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার এলাকাতে বেশ কয়েকটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা পরিবেষ্টিত। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
